গরমে তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন – গরমে ত্বকের যত্ন কিভাবে নিবেন

আজকের আর্টিকেলের বিষয় হচ্ছে গরমে তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন – গরমে ত্বকের যত্ন কিভাবে নিবেন। গরম আসতেই বিরক্তিকর অবস্থা তৈলাক্ত ত্বক ব্যক্তিদের। সবসময় মুখে থাকে তেলতেলে ভাব। তেলতেলে ত্বকে ব্রনের প্রবনতা বেড়ে যায়। প্রচন্ড গরম হওয়ার কারনে ত্বকে অনেক সময় তেল বের হয়। তাই গরমে তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন একটু বেশি নিতে হবে। কীভাবে যত্ন নিলে ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করা যায় সেটা আমাদের অনেকের জানা নেই। আপনিও যদি তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যা নিয়ে চিন্তিত থাকেন। তবে এই আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়বেন। আশা করি উপকৃত হবেন। চলুন বিস্তারিত জানা যাক।

গরমে তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন

মুখের ত্বক তৈলাক্ত হয় কেন

মুখের ত্বক তৈলাক্ত হওয়ার পেছনে অনেক কারন রয়েছে। গরম আসতেই মুখের তেলতেলে ভাব আমাদের অস্বস্তির কারন হয়ে যায়। মুখ পরিষ্কার করলেও তেলতেলে ভাব যেতে চাইনা। কী কারনে মুখের ত্বক তৈলাক্ত হয় সেটা আমরা অনেকেই জানিনা। চলুন জেনে নিই ত্বক তৈলাক্ত হওয়ার পেছনে কী কী কারন দায়ী।

সেবিসিয়াস গ্রন্থি: ত্বক তেলতেলে হওয়ার প্রথম কারন হচ্ছে ত্বকে থাকা সেবিসিয়াস গ্রন্থি। ত্বকের প্রতিটি ছিদ্রের নিচে একটি সেবিসিয়াস গ্রন্থি থাকে। যার ফলে ত্বকে তেল তৈরি হয়। এই তেল ত্বকের জন্য ভালো। কিন্তু সেবিসয়াস বেশি পরিমানে তেল তৈরি করলে ত্বক তৈলাক্ত হয়ে যায়।

অতিরিক্ত মুখ ধোয়া: মুখে তৈলাক্ত ভাব থাকলে বারবার মুখ ধোয়া উচিত নয়। এতে ত্বকের তৈলাক্ত ভাব আরও বেড়ে যায়। অতিরিক্ত মুখ ধুলে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে।

মানসিক চাপ: অতিরিক্ত মানসিক চাপ ত্বকে তৈলাক্ত ভাব এনে দেয়। মানসিক চাপের ফলে সিবাম ত্বকের তেল নিঃসরন বাড়িয়ে দেয়। ফলে ত্বক তেলতেলে হয়।

জিনগত কারন: অনেক সময় তৈলাক্ত ত্বক আপনার জিনগত কারনেও হতে পারে। আপনার পিতামাতার একজনের যদি তৈলাক্ত ত্বক থাকে তাহলে সেক্ষেত্রে আপনার ত্বক তৈলাক্ত হতে পারে।

ত্বকের যত্নে ত্রুটি থাকলে: আপনার ত্বকের যত্ন সঠিকভাবে না নিলে, ত্বকে ভুলপন্য ব্যবহার করলে ত্বকে তৈলাক্ত ভাব দেখা দেয়। ত্বকের ধরন অনুযায়ী আপনার ত্বকে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করবেন।

ত্বকের তৈলাক্ত ভাব অনেক সময় জটিল হয়ে যায়। একাধিক কারনে এ সমস্যা দেখা দেয়। উপরের কারন ছাড়াও আদ্র জলবায়ুতে বাস করলে, ভারি প্রসাধনী ব্যবহার করলে অনেক সময় ত্বক তৈলাক্ত হয়ে যায়।

তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন কীভাবে নিতে হয়

তৈলাক্ত ত্বক দূর করতে  আপনাকে অনেক পরিশ্রম করতে হবে। নিতে হবে সঠিক যত্ন। রোদে পুড়ে, ধুলাবালি, ময়লা ও ত্বকের অযত্নের কারনে তেলতেলে ভাব দেখা দেয়। বিভিন্ন ঔষধ, ক্রিম ছাড়া ঘরোয়া পদ্ধতিতে ত্বকের যত্ন নিয়ে তৈলাক্তভাব দূর করা যায়। চলুন জেনে নিই সুন্দর ত্বক পেতে ও তৈলাক্তভাব দূর করতে ত্বকের যত্ন আমরা কীভাবে নিব।

মুখ ধোয়া: দিনে দুবার তৈলাক্ত মুখ ধোয়া উচিত। মুখে সাবান ব্যবহার করবেন না। কারন সাবানে অনেক ক্ষার থাকে।

ডিম: ডিম ও লেবুর প্যাক বানিয়ে ত্বকের যত্ন নিন। এই প্যাক বানাতে ১ টি ডিমের সাদা অংশে ১ চামচ লেবুর রস মেশান। এবার এটি মুখে লাগিয়ে শুকানোর পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

কাজুবাদাম: কাজুবাদাম গুড়ো ত্বকের অতিরিক্ত তেল শুষে নেই। ৩ চা চামচ কাজুবাদাম গুড়ার সাথে ২ চা চামচ মধু মিশিয়ে স্ক্রাব তৈরি করুন। স্ক্রাবটি আপনার মুখে ভালো করে লাগিয়ে নিন। তারপর শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে পরিষ্কার করুন । আপনার ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর হবে।

টমেটো: ত্বকের অতিরিক্ত তেল বের করতে টমেটো একটি কার্যকরী উপাদান। ১ টি টমেটো রসের সাথে ১ চা চামচ চিনি মিশিয়ে ত্বকে মাসাজ করুন। ১০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

ওটস: ওটস ত্বকের অতিরিক্ত তেল শোষন করে। গুড়া করা ওটস পানির সাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন তাতে ১ চা চামচ মধু দিয়ে স্ক্রাব বানিয়ে নিন। স্ক্রাবটি মুখে লাগিয়ে ১০ মিনিট মতো রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করবে।

বেসনের স্ক্রাব: বেসন হলো প্রাকৃতিক ফেসওয়াস। ২ চা চামচ বেসন ও  ৪ চা চামচ দুধ একসঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এরপর মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট মতো অপেক্ষা করুন। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

কমলার ফেইস প্যাক: মুখের অতিরিক্ত তেল কন্ট্রোল করে কমলালেবুর খোসা। ২ চামচ কমলালেবুর খোসার গুড়ো, ৪ চামচ দুধ, ১ চামচ হলুদ বাটা একসাথে মিশিয়ে। আপনার মুখে লাগিয়ে নিন।  ২০ মিনিট মতো রেখি ধুয়ে নিন। ত্বককে উজ্জল করবে এবং তেলতেলে ভাব দূর করবে।

শশার প্যাক: শশা ভেতর থেকে ত্বকের তেল নিয়ন্ত্রন করে। ২ টেবিল চামচ শশার পেস্ট, ১ চা চামচ গোলাপজল ও কয়েকফোঁটা লেবুর রস একসাথে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে নিন। ২০ মিনিট মতো রেখে ধুয়ে নিন। ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করবে।

উপরের ফেইসপ্যাকগুলো আপনার মুখের তেলাক্ততা দূর করবে। তাই তেলাক্ততা দূর করতে এই ফেইসপ্যাকগুলো নিয়মিত করুন। ত্বকের ব্রন কমবে, ব্রনের দাগ দূর হবে। প্রতিদিন ব্যবহার করা ভালো। তবে সপ্তাহে অবশ্যই তিনবার করবেন।

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য কোন ফেসওয়াশ ভালো

মুখের ত্বকের তেলতেলে ভাব আমাদের ত্বকের সৌন্দর্য নষ্ট করে দেয়। তেলাক্ত ত্বকে সব ধরনের ফেসওয়াশ ব্যবহার করা ঠিক নয়। ফলে তৈলাক্ত ভাব বেশি হয়ে যেতে পারে। তৈলাক্ত ত্বকে পেঁপে, লেবু, নিম, তুলসি দিয়ে তৈরি ফেসওয়াশ ব্যবহার করতে হবে। চলুন জানা যাক কোন ফেসওয়াশ তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ভালো।

পিয়াস আলট্রা মাইল্ড ফেসওয়াশ: লেবু ফুলের নির্যাস দিয়ে তৈরি করা হয় এই ফেসওয়াশ টি। এই ফেসওয়াশটি ব্যবহারে ত্বকের ব্রন ভালো করে, ত্বককে নরম ও উজ্জল করে এবং ত্বকের তেলাক্ত ভাব দূর করে।

ডার্মালজিকা ব্রেক আউট ক্লিয়ারিং ফোমিং ফেসওয়াশ: এই ফেসওয়াশ ত্বকের মৃতকোষ, ময়লা আর তেল সরিয়ে ত্বক পরিষ্কার রাখে ব্রন হতে দেয় না এবং ত্বকের তৈলাক্ততা দূর করে।

নিউট্রোজিনা অয়েল ফ্রি অ্যাকনো ফেসওয়াশ: এতে রয়েছে স্যালিসাইলিক ২%, সোডিয়াম সি ১৪-১৬ ওলেফিন সালফেট যা ব্রনের সমস্যার সমাধান করে। স্কিনকে ভেতর থেকে ক্লিন করে। এটি ব্যবহারের পর আপনার স্কিন একদম অয়েল ফ্রি মনে হবে।

দ্যা বডি শপ টি ট্রি স্কিন ক্লিয়ারিং ফেসওয়াশ: বর্তমানে ব্যবহৃত ফেসওয়াশ গুলোর  মধ্যে অনেক বেশি জনপ্রিয় একটি ফেসওয়াশ। ব্রনের সমস্যা সমাধানে কার্যকরী একটি ফেসওয়াশ। আপনার ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করে।

উপরের ফেসওয়াশগুলো ছাড়াও হিমালয়া পিউরিফাইং নিম ফেসওয়াশ, পনডস ব্রাইট বিউটি ফেসওয়াশ, অয়েল ফ্রি অ্যাকনি ফেসওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন। আপনি পেয়ে যাবেন তৈলাক্তমুক্ত ত্বক।

মুখের তৈলাক্ততা দূর করার ক্রিম

তৈলাক্ত বা অয়েলি স্কিনের জন্য অনেকেই বিভন্ন সমস্যায় পড়েন। তৈলাক্ত ত্বক নিয়ে হতাশার শেষ নেই। তবে সঠিক যত্ন নিলে এ সমস্যার সমাধান মিলবে। আমরা অনেকেই মনে করি গরম ও শীতে একই রকম ক্রিম ব্যবহার করা যায়। কিন্তু এটা ভুল ধারনা। যেমন ধরুন শীতে আমাদের ত্বকের জন্যে প্রয়োজন অতিরিক্ত ময়েশ্চারাইজার ক্রিম। কারন শীতে ত্বক শুষ্ক থাকে। আর গরমে আমাদের জন্য প্রয়োজন লাইট ময়েশ্চারাইজার। ত্বকের তৈলাক্ততা দূর করার জন্য বিভিন্ন ধরনের ক্রিম পাওয়া যায়। চলুন সঠিক ক্রিম কোনগুলো তা আমরা জেনে নিই।

১. লোটাস হার্বালস ওয়াইট গ্লো জেল ক্রিম

২. ল্যাকমে অ্যাবসলিউট পারফেক্ট রেডিয়েন্স ক্রিম।

৩. গার্নিয়ার স্কিন ন্যাচারালস লাইট কমপিলট সিরাম ক্রিম

৪. গ্লো অ্যান্ড লাভলি মালটি ভিটামিন ক্রিম

নাইট ক্রিম হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন-

১. হিমালয়া হার্বালস নাইট ক্রিম

২. লেকমে ইউথ ইনফিনিটি স্কিন ফারমিং নাইট ক্রিম

৩. পন্ডস গোল্ড রেডিয়েন্স ইউথ ফুল নাইট রিপেয়ার ক্রিম

তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন নিতে উপরের ক্রিম গুলো ব্যবহার করবেন।  এ ক্রিমগুলোর কোনো সাইড ইফেক্ট নেই। তবে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সব ত্বকে একই ধরনের ক্রিম ব্যবহার করা উচিত নয়।

তৈলাক্ত মুখের ব্রন দূর করার উপায়

তৈলাক্ত ত্বক নিয়ে আমরা অনেকেই চিন্তিত। যাদের এ সমস্যা আছে তারা অস্বস্তিতে দিন কাটায়। রাস্তায় বের হলেই মুখে তেল চিটচিটে ভাব, অতিরিক্ত রোদ, অসহ্য গরম এবং মুথে ময়লা জমে একাকার। বাইরের ময়লা ত্বকে জমে ব্রনের সৃষ্টি করে। তেলাক্ত মুখের যত্ন নিতে প্রসাধনীর চেয়ে প্রাকৃতিক উপাদান গুলো বেশি কার্যকর। আসুন জেনে নিই প্রাকৃতিক উপাদানে ঘরোয়াভাবে তৈরি কিছু ফেইসপ্যাক সম্পর্কে যা মুখের তৈলাক্ত ভাব দূর করে, ত্বকের ব্রনের সমস্যা দূর হয়।

ডিম, শশা ও পুদিনার প্যাক: তেলাক্ত ত্বকের জন্য খুবই উপকারি। একটি ডিমের সাদা অংশের সাথে শশার রস ও পুদিনা পাতার পেস্ট মিশিয়ে ত্বকে লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। এ উপায়ে আপনার ব্রন দূর হবে।

পাকা কলার ফেইসপ্যাক: একটি পাকা কলা খোসা ছাড়িয়ে, তাতে ২ চা চামচ পাতি লেবুর রস, ১ চা চামচ মধু নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।  মিশ্রনটি ত্বকে লাগিয়ে ১৫ মিনিট মতো অপেক্ষা করুন। ১৫ মিনিট হয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

নিম পাতার ফেইসপ্যাক: নিম পাতার মধ্যে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল এবং অ্যান্টিইনফ্লামেটরি বৈশিষ্ট রয়েছে। যা ত্বকের ব্রন কমায়। লেবু পাতা ও কাঁচা হলুদ একসাথে ব্লেন্ড করে মুখে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে ফেসওয়াস দিয়ে ধুয়ে নিন। নিয়মিত করবেন আশা করি ব্রন কমবে।

গোলাপ জল: গোলাপের নির্যাসে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ব্রনের দাগ দূর করে। গোলাপ জলের সাথে বেসন মিশিয়ে ব্যবহার করুন।

অ্যাপল সিডার ভিনেগার: ১ কাপ অ্যাপল সিডার ভিনেগারের সাথে  ১ কাপ ডিস্টিলড জল  মিশ্রিত করুন। আপনার ত্বকে তুলার বল দিয়ে  লাগিয়ে নিন। ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। ব্রন থেকে মুক্তি পাবেন।

বেসন ও দইয়ের ফেইস প্যাক: ১ চা চামচ বেসন, ২ টেবিল চামচ দই, ১ চামচ মধু এবং এক চিমটি হলুদ সবগুলো উপাদান একসাথে ভালোভাবে মিক্স করুন। এরপর মুখে ভালোভাবে লাগিয়ে  ২০ মিনিট মতো রেখে ধুয়ে ফেলুন। ব্রন থেকে মুক্তি পাবেন।

লেবু: লেবুর রসে থাকে ভিটামিন সি যা তৈলাক্ত ব্রন দূর করে। ত্বকে ব্রন দূর করতে লেবুর রস মুখে ভালোভাবে মুখে লাগিয়ে নিন। রাতে লাগালে ভালো। সারারাত রেখে সকালে মুখ পরিষ্কার করে নিবেন। লেবুর রসের সাথে মধু মিশিয়েও ব্যবহার করতে পারেন।  এতেও ব্রনের দাগ দূর হবে।

উপরে বলা প্রাকৃতিব উপাদান গুলো দিয়ে এভাবে প্রতিদিন ব্যবহার করবেন। সঠিকভাবে যত্ন না নিলে ব্রন দীর্ঘস্থায়ী হয়ে যায় এবং ত্বকে কালো দাগ হয়ে যায়। সঠিক নিয়মে যত্ন নিবেন গরমে তৈলাক্ত ভাব দূর হবে, ব্রন থাকে মুক্তি পাবেন।

লেখকের শেষ বক্তব্য

গরমে তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন – গরমে ত্বকের যত্ন কিভাবে নিবেন সেই সম্পর্কে আজকের এই ব্লগে সকল তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। আশা করি গরমে তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন – গরমে ত্বকের যত্ন কিভাবে নিবেন সেই সম্পর্কে আপনি বিস্তারিত জানতে পেরেছেন।

এতক্ষণ আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। যদি আপনি এই ধরনের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ব্লগ পোস্ট নিয়মিত পড়তে চান তাহলে আপনাকে প্রতিনিয়ত আমাদের এই ওয়েবসাইট ফলো করতে হবে।

আরও জানুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *